স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় উনিশ শত সাতচল্লিশ-উত্তর কালের দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংঘটন। লাখ লাখ শহীদের রক্তরঞ্জিত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের পত্তন যুগ-চেতনার মূর্ত রূপায়ণ। ১৯৭০ দশকের শেষাশেষি জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক যথার্থই বলেছেন, ‘আমাদের যুগ বস্তুত জাতিভিত্তিক রাষ্ট্রের যুগ’। শিকড়ে ও সূচনায় বাংলাদেশ সর্বাংশে এক অবিসংবাদিত জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র। বিভিন্ন ভাষাভাষী বহু জাতির সমন্বয়ে গঠিত প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ এক ব্যতিক্রমী রাষ্ট্র।

অবিস্মরণীয় কাল থেকেই জাতি গঠনের ধ্রুপদী উপাদানগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিল। এই উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ভাষাগত ঐক্য, বহু শতাব্দীর ইতিহাস ও যৌথ অভিজ্ঞতার দ্বারা সযত্নে লালিত সমন্বয়ী সংস্কৃতি এবং নদীমাতৃক অববাহিকার ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। এসব উপাদান বাংলাদেশের বাঙালির জাতীয় একাত্মবোধকে ভিত্তিমূলে ও পরিকাঠামোয় সবল ও সুদৃঢ় করে তোলে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বয়স সাড়ে তিন দশকের একটু বেশি কিন্তু জাতি হিসেবে বাংলাদেশের বাঙালির অস্তিত্ব বহু শতাব্দী প্রাচীন।

শান্তিপ্রিয় বাঙালি মিলেমিশে থাকতে সদা উৎসুক। কিন্তু রাজনৈতিক, আর্থê-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবিচার ও নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে এর সংগ্রাম বিরামহীন। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই জাতি বিদেশী ও দেশজ শাসকদের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কোনো কোনো সময় তাদের প্রতিরোধ স্বল্পমেয়াদি ব্যর্থতা বয়ে আনে, অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী বিজয়ের বরমাল্য অর্জন করে। ১৯৪৭ সালে সাম্রাজ্যবাদী ও ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম ঐতিহাসিক সাফল্য লাভ করে এবং উপমহাদেশ বিদেশী শাসনের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পায়। ঐতিহাসিক কারণে উপমহাদেশ বিভক্ত হয় এবং নবসৃষ্ট দুই খণ্ডের রাষ্ট্র পাকিস্তানের পূর্ব অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নতুন সীমানার অন্তর্ভুক্ত হয়। এ এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধিবাসীরা প্রাক-১৯৪৭ বঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চিত ও নিপীড়িত ছিল। এ কারণেই তারা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা রাখে। ১৯৪৭-এর আগে ব্রিটিশ-ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর মধ্যে একমাত্র অবিভক্ত বঙ্গেই ১৯৪৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগ দল সরকার গঠনে সক্ষম হয়। এ অঞ্চলে ওই দলটির প্রমাণিত জনপ্রিয়তা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনভিত্তিক সমর্থনের পরিপ্রেক্ষিত রচনা করে।

ইতিহাস সাক্ষী যে, ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশের বাঙালির সফলতা ছিল আংশিক এবং প্রধানত অসম্পূর্ণ। ১৯৪৭-এর উপমাহদেশ ও বঙ্গবিভক্তির অল্পকাল পরেই বাঙালির মোহভঙ্গ ঘটে। তারা বুঝতে পারে যে, ১৯৭১-পূর্ব পাকিস্তানের পশ্চিম পাকিস্তানভিত্তিক শাসকশ্রেণী তাদেরকে প্রতারিত ও প্রবঞ্চিত করার নীলনকশা রূপায়ণে ব্যস্ত। রাজনৈতিক বঞ্চনার সাথে চলে অর্থনৈতিক শোষণ ও সাংস্কৃতিক নিষ্পেষণ। ফলে যে গৃহ নির্মাণে বাংলাদেশের বাঙালি অগ্রণী ভূমিকা নেয়, সেখানেই সে হয়ে ওঠে পরবাসী। পাকিস্তান রাষ্ট্রে তাদের ন্যায্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় তারা হয়ে ওঠে অস্থির ও বিক্ষুব্ধ। শুরু হয় নয়া প্রতিরোধ।

কাঙ্ক্ষিত আকারে না হলেও অখণ্ড পাকিস্তানের চব্বিশ বছরে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বাঙালি মধ্যবিত্তের সংখ্যা ও প্রভাব তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই নবজাগ্রত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বলিষ্ঠ চেতনা ও প্রতিবাদী কার্যক্রম প্রতিরোধের সংগ্রামকে শক্তিশালী করে। এই শ্রেণীর সদস্যরাই পাকিস্তানে বাঙালির ন্যায়পর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রমুখ ও চালিকাশক্তি হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখে। অতি অল্পকালের মধ্যে আন্দোলন জাতীয় মুক্তির গণসংগ্রামে পরিণত হয়। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক এই মুক্তিসংগ্রামে কালজয়ী নেতৃত্ব দেন। অদূরদর্শী পাকিস্তানি শাসকদের নির্দয় ও ক্রূর আক্রমণের জবাবে বাংলাদেশের বাঙালিরা সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে লিপ্ত হয়। অসংখ্য মানুষের আত্মাহুতির বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে গৌরবদীপ্ত বিজয় লাভ করে বাঙালি তার দেশের স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দেয়।

অপ্রিয় হলেও এ কথা সত্য যে, স্বাধীনতা ও মুক্তির সোনালি ফসল বাংলাদেশের জনগণ পূর্ণাঙ্গভাবে ঘরে তুলতে পারেনি। এ সত্ত্বেও অনস্বীকার্য যে, মুক্তিপ্রিয় যেকোনো জাতির জন্য স্বাধীনতাই একমাত্র অতুলনীয় অর্জন। এ দুনিয়ায় বহু মুক্তিকামী জাতিসত্তা স্বাধীনতার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়েও সফল হতে পারেনি। এদের তুলনায় বাংলাদেশের বাঙালি সৌভাগ্যবান। পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির আনন্দ ও আবেগ অবশ্যই তাদের মধ্যে উন্নত জীবনের ন্যায্য আশা ও আকাঙ্ক্ষা সদা জাগ্রত রাখে। এ আশা পূরণে ব্যর্থতার দায়ভার জাতির নেতৃত্বকেই বহন করতে হয়। সঠিক নেতৃত্ব দানে তারা কতটুকু সফল হয়েছে তা বিচারের দাবি রাখে।

স্বাধীনতা-উত্তরকালে বাংলাদেশের অর্জন আশানুরূপ না হলেও উপক্ষেণীয় নয়। বছরে গড়পড়তা এক শতাংশ হারে দারিদ্র্য বিমোচন ঘটায় দারিদ্র্য সীমার নিচের জনসংখ্যা এখন ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। নিরক্ষরতার হার হ্রাস পেয়ে সাক্ষর জনগোষ্ঠীর পরিসর এখন জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রছাত্রী ভর্তির হার অনেক ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। ইতিবাচক নীতি ও কার্যকরী ব্যবস্থার ফলে নারীশিক্ষা বিপুলভাবে প্রসারিত হয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে খাদ্যশস্য উৎপাদন প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। কৃষক-শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ১৯৬০-এর দশকে খাদ্য ঘাটতির যে পরিমাণ ১৫ শতাংশ ছিল, তা বর্তমানে মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের জনসংখ্যা ৪ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১৫ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। সন্দেহ নেই সঠিক সরকারি নীতির ফলে এবং ব্যবসায়ীসহ সমাজের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশের সহায়তায় জনস্ফীতির সাথে তাল মিলিয়ে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

সার্বিক অর্থনীতিতে শ্লথ গতি সত্ত্বেও উন্নয়ন-প্রক্রিয়া অব্যাহতভাবে চলেছে। বাংলাদেশের গড় স্থূল উৎপাদন, জিডিপি সত্তরের দশকে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গড়পড়তা মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৪০০ ডলারের বেশি অঙ্কে পৌঁছেছে।

শিল্প খাতেও অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সেবা খাতের ঘটেছে বিপুল বিস্তার। তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রফতানিতে বাংলাদেশের সাফল্য সর্বস্বীকৃত। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এই খাত থেকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বার্ষিক প্রায় ৭০০ কোটি ডলার অর্জিত হয়। অন্য দিকে মানবসম্পদ রফতানির ফলে দেশে বার্ষিক প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার উপার্জিত হয়।

কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনা বাংলাদেশের আছে, তা কাঙ্ক্ষিত গতিতে বাস্তবায়ন হতে পারছে না। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নানা অগ্রগতি সত্ত্বেও বাঞ্ছিত মাত্রায় উন্নতি সম্ভব হয়নি।

এই অসাফল্যের মূলে রয়েছে নেতৃত্বের দুর্বলতা ও অপারগতা। এই নেতৃত্ব শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যবসায়িক, বাণিজ্যিক ও সামাজিকও বটে। সমাজে ও রাষ্ট্রের নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব যারা পালন করেন, দূর এবং সাম্প্রতিক অতীতে তারা পরিচয় দিয়েছেন নানা ব্যর্থতা ও দুর্বলতার। ফলে দেশে গণতন্ত্র পরিপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। ১৯৯০ দশকের প্রথম দিক থেকে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পরও গণতান্ত্রিক জীবনবোধ, ধারা ও আচার-আচরণ বাস্তবে পূর্ণাঙ্গভাবে রূপায়িত হয়নি। গণতন্ত্রের লেবাসে একধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও পরিবারতান্ত্রিক শাসন চালু হয়। ফলে প্রশাসন দলীয়করণ ও দুর্নীতির জালে আবদ্ধ হয়ে নির্জীব ও দুর্বল হয়ে পড়ে। রাজনীতি পরিণত হয় অসাধু ব্যবসায়ীর চারণক্ষেত্রে। ফলে প্রশাসন ও ব্যবসায়-বাণিজ্য বিকৃত রাজনীতির সেবাদাসীতে পরিণত হয়। দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করে। সমাজের উচ্চ স্তরে মূল্যবোধের অবক্ষয়ই নয় শূন্যতাও প্রকট হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অতীতের মোড় পরিবর্তন ওই বিকৃত রাজনীতি ও তার সৃষ্ট সঙ্ঘাতের ফলেই ঘটে। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পট পরিবর্তন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বের ব্যর্থতারই অমোঘ ফল। এখন উৎক্রান্তির সময়। দুই সময়ের মধ্যবর্তী এই সময়ের লক্ষ্য সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে অর্থবহ ও সজীব গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা।

এর পথ ও পদ্ধতি যা-ই হোক না কেন মনে রাখা প্রয়োজন যে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক উন্নয়ন অর্জনের মূল চাবিকাঠি রয়েছে দেশের মধ্যবিত্ত সমাজের বলিষ্ঠ অস্তিত্ব নির্মাণের মাঝে। শিক্ষিত ও যুগ-চেতনায় উদ্বুদ্ধ মধ্যবিত্ত শ্রেণী চিরকালই জাতিকে মুক্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়পর উন্নয়নের পথে চালাতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে।

দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সাড়ে তিন দশকেরও বেশি সময়ে বিভিন্ন সরকার ও নেতৃত্বের অদূরদর্শিতায় এই মধ্যবিত্ত শ্রেণী দারুণভাবে অবহেলিত ও নিষ্পেষিত হয়। বাণিজ্যকৃত রাজনীতি ও রাজনৈতিকায়িত বাণিজ্য এই শ্রেণীর বিপুলসংখ্যক সদস্যকে ঠেলে দেয় দরিদ্রের কাতারে। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক দলসংশ্লিষ্ট অথবা তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় লালিত কিছু কিছু ব্যক্তি ও পরিবার আঙুল ফুলে কলাগাছের রূপ ধারণ করে, রাতারাতি গড়ে তোলে অর্থবিত্তের পাহাড়। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মধ্যবিত্ত এখন প্রায় বিত্তহীন এবং দিশাহারা। পেশাগত, বাণিজ্যিক বা চাকরি থেকে লব্ধ সীমিত আয় দিয়ে তারা দিন গুজরান করতে পারে না। দু’বেলা অন্ন জোগানো তাদের জন্য দুষ্কর হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং উপার্জনের পথ সঙ্কোচন তাদের সন্তানসন্ততির প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
নির্বাচন, গণতন্ত্রে উত্তরণ­ এ সবকিছুই জাতির জন্য প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মধ্যবিত্তকে অবহেলিত ও বঞ্চিত রেখে এসব প্রক্রিয়া সফল করা অসম্ভব। অসন্তুষ্ট, বিক্ষুব্ধ ও দিশেহারা মধ্যবিত্তের মধ্যেই সূচনা ঘটে সামাজিক সঙ্ঘাত ও সংঘর্ষের। দেশের ভাগ্য যারা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং সমাজের উন্নতি ও মঙ্গলের জন্য যারা নেতৃত্ব দিতে চান তাদেরকে এ কথা স্মরণ রাখতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিত রচনায় মধ্যবিত্ত শ্রেণী ছিল পথিকৃৎ। এ দেশের বিপুল সম্ভাবনা বাস্তবায়ন করতে হলে মধ্যবিত্তের পুনর্বাসন ও পুনরুজ্জীবন অপরিহার্য।

লেখকঃ চিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ বাংলাদেশ (সিডিআরবি)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং আর্থসামাজিক ত্রৈমাসিক ‘এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স’-এর সম্পাদক
 
**************************
ড. মীজানূর রহমান শেলী
দৈনিক নয়াদিগন্ত, ২৬ মার্চ ২০০৮